শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৭:৩১ অপরাহ্ন

চকরিয়ায় চালু হলো জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম

সিইও কর্তৃক প্রকাশিত
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ৪১৯ দেখুন

এম,জুনাইদ উদ্দিন, চকরিয়া
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভা ও ০৮ ইউনিয়নে চালু হলো জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম। রোহিঙ্গা ঢলের পর বন্ধ করে দেওয়া কক্সবাজারে জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রম দীর্ঘ প্রায় তিনবছর পর অবশেষে খুলে দেওয়া হয়েছে। চকরিয়া উপজেলা ১৮টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্য থেকে প্রাথমিকভাবে মাত্র ০৮টি ইউনিয়ন পরিষদে এই নিবন্ধন কার্যক্রম বর্তমানে চালু হয়েছে।
এর আগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব হেলালুদ্দিন আহমদ শিগগিরই জেলাবাসীর কাঙ্ক্ষিত জন্ম নিবন্ধন খুলে দেওয়ার কথা জানান।
চকরিয়া পৌরসভা ছাড়া অন্য যে ইউনিয়নগুলোতে জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম চালু হয়েছে, সেগুলো হলো-
ভেওলা মানিকচর, পশ্চিম বড় ভেওলা, ঢেমুশিয়া, বদরখালী, হারবাং, পূর্ব বড় ভেওলা, লক্ষ্যারচর ও চিরিংগা ইউনিয়ন।
১৭ নভেম্বর চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ শামসুল তাবরীজ জানান, নতুন জন্মনিবন্ধন পেতে হলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কিছু শর্ত অবশ্যই মানতে হবে আবেদনকারিকে।
আবেদনপত্রের সাথে বিদ্যুৎ বিলের কপি, হোল্ডিং টেক্স আদায়ের কপি, আবেদনকারীর পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি। যাদের পিতা-মাতা মৃত তাদের মৃত্যু সনদ। ২০০০ সালের আগে যারা জন্মগ্রহন করেছে তাদের পিতা-মাতার জন্ম সনদের প্রয়োজন নেই যদি আইডি কার্ডের ফটোকপি আবেদনপত্রে সংযুক্ত করা হয়। আবেদনকারী যদি ২০০০ সালের পরে জন্মগ্রহন করে তাহলে পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। যে সকল আবেদনকারির শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নেই, টিকার কার্ড নেই, বয়স প্রমাণের জন্য সরকারি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অথবা সিভিল সার্জন অফিস কর্তৃক প্রদেয় বয়স প্রমানের প্রত্যয়নপত্র অবশ্যই আবেদনে প্রমাণ করতে হবে।
উপরোক্ত কাগজপত্রসহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবরে আবেদন করতে হবে। আবেদন পরিষদ থেকে উপজেলা জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন যাছাই বাচাই কমিটির বরাবরে উপস্থাপন করার পর কমিটি গুরুত্বসহকারে যাছাই করে সঠিক হলে পুণরায় অনুমোদন দিয়ে পরিষদে পাঠাবে। পরিষদ তা আবেদনকারীকে চেয়ারম্যান এবং পরিষদের স্বাক্ষরে সনদ প্রদান করবে। এদিকে প্রতিটি উপজেলায় শক্তিশালী বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা সবদিক বাছাই পূর্বক চূড়ান্ত করে জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রদান করবেন।


যদি কোন চেয়ারম্যান বা পরিষদের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের জন্মনিবন্ধন সনদ দেওয়া হয় বা ইস্যুর পর যদি প্রমাণিত হয় তা ফৌজদারি অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হবে। উক্ত জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে জেল জরিমানা এমনকি কঠিন শাস্তির আওতায় আনা হবে। পর্যায়ক্রমে সকল ইউপি খুলে দেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

Design & Develop BY Coder Boss
© Copyright 2019 All rights reserved BBC Morning
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102