শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
টপ নিউজ

“চকরিয়ায় গ্রাহক হয়রানি মূলক অতিরিক্ত বিদ্যূৎ বিল”

চকরিয়া(কক্সবাজার)প্রতিনিধিঃ
  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০
  • ১৩২ দেখুন

 

বিদ্যূৎ বিলের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

 

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট রিংভং ছগিরশাহ কাটা এলাকায় প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাহককে হয়রানি মূলক অতিরিক্ত বিদ্যূৎ বিলের নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে ভূক্তভোগি গ্রাহকেরা জানান,আগষ্ট মাসে বিদ্যূৎ বিলের ব্যবহারিত ইউনিট লিখে নেওয়ার ২/৩ আগে এক লোক এসে মিটার নাড়াচাড়া করেছিল।তখন লোকটি পল্লী বিদ্যূৎতের লোক পরিচয় দিয়েছিল।কয়েক দিন পরে আরেক লোক বহি হাতে নিয়ে এসে ব্যবহারিত ইউনিট লিখে নিয়ে গেছে।তারপর আগষ্টের বিদ্যূৎ বিলটি স্বাভাবিক বিলে চেয়ে ১০ বৃদ্ধি হয়ে আসে।বুঝতে খুব কষ্ট হচ্ছে আমাদের।এছাড়া লকডাউনের সময় মিটার না দেখে মনগড়া বিদ্যূৎ বিল তৈরী করে দিয়ে,বিল নেওয়ার পর থেকে অদ্যবধি পর্যন্ত প্রতিমাসে ক্রমান্বয়ে বিলের পরিমাণ তিনগুণ বেড়েই চলছে।মৌখিক অভিযোগে এপর্যন্ত কোন সুরহা হয়নি।আমরা সবাই গ্রামের লোক,আমাদের বাড়ীতে কি ফ্যাক্টরী আছে।প্রতিমাসে দুইগুণ,তিনগুণ,দশগুণ করে বৃদ্ধি বিদ্যূৎ বিল আসবে অভিযোগ ভূক্তভোগি গ্রাহকের।এছাড়াও চকরিয়াতে ডুলাহাজারা-খুটাখালী ইউনিয়নের মত সবচেয়ে বেশী লোডশেডিং ও বিদ্যূৎ না থাকার জায়গা আর নেই।তবু হয়রানি মূলক বিদ্যূৎ বিল কেন?
ভূক্তভোগি গ্রাহকেরা বিদ্যূৎ বিলের কাগজ দেখালে,দেখি যে,ভ্যাট রেজিঃ নং-২০৬১০২১৪১৬,এরিয়া কোর্ড নং-২০২০৩ এর আওতাধীন গ্রাহক মোঃকালু’র হিসাব নং-৯৪২-২০৩৫ এ নাম্বারে আগষ্টের বিদ্যূৎ বিল আসে ৫৯৯২টাকা,তবে জুলাই মাসের ৩৬৬টাকা বকেয়া যোগ আছে এবিলে।দিদারুল ইসলামের হিসাব নং-৯৪২-২৬৯২ এ আগষ্টে বিল আসে ২২৮২টাকা,জুলাইতে ৪৮৪টাকা।রেজাউল করিমের হিসাব নং-৯৪২-২৪৬০ এ আগষ্টে বিলে আসে ২০৭৯টাকা,জুলাইতে ৬৭৩টাকা।কামাল হোসেনের হিসাব নং-৯৪২-২০৩০এ আগষ্টে বিল আসে১৭৮৪টাকা,জুলাইতে ১৯১৫টাকা।আছিয়া খাতুনের হিসাব নং-৯৪২-২৪৫৫এ আগষ্টে বিল আসে ৭৯৩টাকা,জুলাইতে ৪৯৩ ও জুনে ১২৩টাকা।জামাল উদ্দিনের হিসাব নং-৯৪২-২৩৭৭এ আগষ্টে বিল আসে৩২৮৪টাকা,জুলাইতে৮৬০ ও জুনে ২২৩টাকা।আনোয়ার হোসেনের হিসাব নং-৯৪২-২৫২৬এ আগষ্টে বিল আসে ৭৯৩টাকা,জুলাইতে ৬৫৯টাকা ও মোকতার আহমদের হিসাব নং-৯৪২-২৪৫০এ আগষ্টে বিল আসে ১৬৫৮টাকা, জুলাইতে ৯৬৫ ও জুনে ১৪৩ টাকা।এভাবে উক্ত এলাকার অর্ধশতাধিক গ্রাহকের জন্য আগষ্টের বিদ্যূৎ বিল আসায় বিল পরিশোধে অনিহা প্রকাশ করেন গ্রাহকেরা।তাই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন উল্লেখিত গ্রাহকেরা।
এবিষয়ে ডুলাহাজারা পল্লী বিদ্যূৎ অভিযোগ কেন্দ্রের ইনর্চাজ সাঈদুল রহমান জানান,এজিএম স্যারের নির্দেশে আমি নিজেই গিয়ে বিলের কাগজ ও মিটার চেক করেছি।এলাকার ৫০ভাগ গ্রাহকের বিদ্যূৎ বিল অতিরিক্ত হয়ে এসেছে সত্য।এটির সমস্যা কোথায়,কেন গ্রামঞ্চলে এত বিল আসে,স্যারের নির্দেশে এটি কথিয়ে দেখা হবে।
অতিরিক্ত বিল আসার বিষয়ে জানতে চাইলে,চকরিয়া উপজেলার এরিয়া ম্যানেজার মোসাদ্দিকুর ইসলাম বলেন,আমি মিটার ও বিলের কাগজ চেক করার জন্য লোক পাঠিয়েছি।তিনি আমাকে অতিরিক্ত বিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।তা না হয়ে যদি ২/১জন গ্রাহকের বিল বেশী আসতো। হয়তো ভুল হয়েছে বলতাম।এখন ঐ এলাকার একাধিক গ্রাহকের বিল কেন অতিরিক্ত হবে,এবিষয়ে আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ করে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করব।যাতে আমার গ্রাহক যেন আর হয়রানিতে না পড়ে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

Design & Develop BY Our BD It
© Copyright 2019 All rights reserved BBC Morning
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102