বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৩৫ অপরাহ্ন
টপ নিউজ
পেকুয়ায় মুক্তিযোদ্ধা পুত্রের ইফতার সামগ্রী বিতরণ স্ক্যাভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দিল ৩ টি দোকানঃভূক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন পেকুয়ায় ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে জখম শাল্লা নোয়াগাঁওয়ে হামলার প্রধান আসামী শহীদুল ইসলাম স্বাধীনের মুক্তি চান বৃদ্ধা মা খোদেজা বিবি প্রবীন সাংবাদিক চৌধুরী হাসান শাহরিয়ারের মৃত্যুতে হারুন মিয়া’র শোক প্রকাশ  “চকরিয়া প্রবাসী ইউনিয়ন” আমিরাতস্থ ফুজিরায় আলফাজ সভাপতি ও মুফিজ কে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা চকরিয়া প্রবাসী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সম্বর্ধিত  চকরিয়ায় উপজেলা ছাত্রলীগের মানববন্ধন “চকরিয়া প্রবাসী ইউনিয়ন” আবুধাবীতে এখলাছকে সভাপতি ও ছাদেক কে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা বিদ্যালয়ের সুনামক্ষুন্ন করতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ

ঘূর্ণিঝড় আম্পান: ১২ হাজার আশ্রয়কেন্দ্র ‘প্রস্তুত’

Reporter Name
  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৮ মে, ২০২০
  • ৫৩৭ দেখুন

অনলাইনঃ

ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ প্রবল শক্তি নিয়ে বাংলাদেশ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসায় উপকূলীয় জেলাগুলোতে ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করেছে সরকার।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান সোমবার সচিবালয় থেকে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

সোমবার রাতের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি সুপার সাইক্লোনের রূপ নিতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ১২ হাজার ৭৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে, এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ৫১ লাখ ৯০ হাজার ১৪৪ জন মানুষকে আশ্রয় দেওয়া যাবে।

কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে এই ঘূর্ণিঝড় সৃষ্ট হওয়ায় সব ধরনের স্বাস্থ্য বিধি মেনে লোকজনদের আশ্রয়কেন্দ্রে রাখার ব্যবস্থা করা হবে জানান ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে আশ্রয়কেন্দ্রে সবাইকে নিরাপদে রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যারা আশ্রয়কেন্দ্রে আসবেন, তাদের সবাইকে মাস্ক পড়ে আসতে বলা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকরা মাইকিং করে সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনতে কাজ শুরু করেছেন।

মঙ্গলবার রাতের মধ্যে সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হবে জানিয়ে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সোমবার দুপুর পর্যন্ত ২ হাজার ৫৬০ জন মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে গেছেন।

“একটি মানুষকেও যাতে প্রাণ হারাতে না হয় সে ব্যাপারে সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছি। যেসব মানুষ ঝুঁকিতে আছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগেই তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হবে। অন্য যে কোনো দুর্যোগ থেকে এবার সব থেকে বেশি সংখ্যক আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।”

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘আম্পান’ বাংলাদেশ উপকূলের হাজার কিলোমিটারের মধ্যে চলে আসার পর সমুদ্র বন্দরগুলোকে বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস বলছে, মঙ্গলবার শেষরাত থেকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে এ ঘূর্ণিঝড় খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

যারা আশ্রয় কেন্দ্রে যাবেন, তাদের জন্য ৩ হাজার ১০০ মেট্রিক টন চাল, ৫০ লাখ নগদ টাকা, শিশু খাদ্য কিনতে ৩১ লাখ টাকা এবং গোখাদ্য কিনতে ২৮ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে বলে জানান ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।

এছাড়া ৪ হাজার ২০০ প্যাকেট শুকনা খাবার পাঠানো হয়েছে উপকূলীয় জেলাগুলোতে। সিভিল সার্জনদের নেতেৃত্বে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধসহ ওইসব টিম প্রস্তুত রয়েছে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান।

তিনি বলেন, “সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যুৎ গেলে বিকল্প ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

“এলজিইডিকে বলা হয়েছে, যেসব অঞ্চলের লোকজনদের আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হবে, সেসব অঞ্চলের সড়ক এবং ব্রিজে কোনো সমস্যা হলে জরুরিভত্তিতে তা মেরামত করতে।”

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে কোনো বাঁধ ভেঙে গেলে সেনাবাহিনীর সহায়তায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে তা মেরামত করে দেবে বলেও জানান এনামুর।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

Design & Develop BY Coder Boss
© Copyright 2019 All rights reserved BBC Morning
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102